ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের জন-আস্থা টলাতে পারছে না প্রতিপক্ষ: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৫-১৮ ১৪:৩০:৩৬
তারেক রহমানের জন-আস্থা টলাতে পারছে না প্রতিপক্ষ: রিজভী তারেক রহমানের জন-আস্থা টলাতে পারছে না প্রতিপক্ষ: রিজভী
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নানা ধরনের কথা বলছেন, বিকৃত করার জন্য কথা বলছেন; কিন্তু তারেক রহমানকে নিয়ে জনগণের মধ্যে যে আশার আলো ও আস্থা তৈরি হয়েছে, সেটাকে তারা টলাতে পারছেন না।

সোমবার নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং আগামী দিনে হেলথ কার্ড করবেন—সেই প্রতিশ্রুতিসহ ইতোমধ্যে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছেন এবং ব্যাপকভাবে দেশে সাড়া দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, তার পিতার পথ ধরেই তিনি আবারও এই দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। আবারও খাল কাটা কর্মসূচি তিনি চালু করেছেন এবং ইতোমধ্যেই এটি সারা বাংলাদেশে সাড়া ফেলেছে। যেখানেই যাচ্ছেন, তিনি খাল কাটা কর্মসূচি পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং পূরণ করার মধ্যে আগে এদেশে যে বড় ঘাটতি দেখা গিয়েছিল—বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে, ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াতে পারেনি, ঘরে ঘরে চাকরি দিতে পারেনি, বিনামূল্যে সার দিতে পারেনি—কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের নেতা তারেক রহমান ততটুকুই বলেছেন, যতটুকু কাজ জনকল্যাণে আমাদের এই সোসিও-ইকোনমিক কন্ডিশনে সম্পাদন করা সম্ভব। ঠিক সেটাই তিনি বলেছেন এবং সেটাই তিনি করছেন।

রিজভী বলেন, ক্ষণজন্মা যুগপুরুষ জিয়াউর রহমান দেশের এক ক্রান্তিকালে এদেশের রাজনীতি এবং রাষ্ট্রক্ষমতার পথপ্রদর্শকের আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছিলেন। তার পূর্বে গণতন্ত্র হত্যা হয়েছিল, এক চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং দেশ দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে নিপতিত হয়েছিল। সর্বত্র চলছিল ভয়ঙ্কর রকমের রক্তপাত, সহিংসতা ও খুনোখুনি। স্বাধীনতা-উত্তর সেই ক্রান্তিকাল অতিক্রমের এক পর্যায়ে জনগণ এবং সিপাহিরা যৌথভাবে দেশে এক শান্তিময় পরিবেশ তৈরির প্রত্যয় নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতিকে নেতা হিসেবে গ্রহণ করে এবং জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন। তার যে সাফল্য, তা আজও ইতিহাসের পাতায় একটি উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে লিখিত আছে। এদেশের দলমত নির্বিশেষে তার আমলের স্বস্তি, শান্তি, আইনের শাসন ফিরিয়ে নিয়ে আসা এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি যে যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছিলেন, তা আজও মানুষের মনে অম্লান হয়ে আছে, মানুষের মনে আজও গেঁথে আছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ